
নিজস্ব প্রতিনিধ :এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার সড়ক-উপসড়কে বেপরোয়া তিনচাকার যানবাহন। অপ্রাপ্তবয়স্ক ও অদক্ষ চালকের ছড়াছড়ি। ফলে ঈদগাঁও বাজার এবং স্টেশন পয়েন্টে যেন যানজট নিত্যদিনের সঙ্গীতে পরিণত হয়।জানা যায়, অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও অদক্ষ চালকের নেই কোন প্রশিক্ষণ, পূর্বের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নয় ও অন্যজনের দেখাদেখি কমবয়সী তরুন-যুবকরা এখন তিন চাকার পরিবহনের চালক। উপজেলার নানান সড়ক,উপ সড়কসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্টেশনে অবাদে চলাচল করে যাচ্ছেন টমটম, অটো রিকসাসহ তিনচাকার যানবাহন। অদক্ষ আর অনভিজ্ঞ চালকের কারনে ঘটে চলছে বিভিন্ন সময়ে ছোট বড় দূঘটনা। প্রাপ্ত তথ্য মতে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল দুরন্তপনার চলছে। ঈদগাঁওর বাস স্টেশন থেকে কালিরছড়া,ফকিরাবাজার,ইসলামপুর, নতুন অফিস, পানিরছড়াসহ বিভিন্ন স্থানে যাত্রী নিয়ে ছুটে যান টমটম ও অটোরিক্সা। এমনকি দূরপাল্লার বড় বড় পরিবহনকেও তোয়াক্কা না করে বীরদর্পে চালাচ্ছেন অল্প বয়সী তরুনরা তিন চাকা যানবাহন। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের তদারকির অভাবে প্রায় দূঘটনায় শিকার হচ্ছে যাত্রী বা চালক। সেসাথে স্টেশন ও বাজারের বিভিন্ন স্পটে টমটম,অটোরিকসার কারনে যানজট কমছেনা বরং বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোনপ্রকার নিয়মনীতি ছাড়াই অনভিজ্ঞ চালকরা সড়ক আর উপসড়কে দাপটের সাথে যানবাহন চালাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। নেই এ সব যানবাহনের লাইসেন্সও। বিশেষ করে, কক্সবাজারের প্রবেশদ্বার খ্যাত ঈদগাঁও ষ্টেশনে প্রতিদিন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয়সহ দূরপাল্লার যাত্রীদের। গাড়ির চালকরা বড় বড় পরিবহনের সাথে পাল্লা দিয়ে চলাচল করে মহা সড়কে। কোন সিগন্যাল ছাড়াই সাইড না দেখেই গ্রামীন পথ থেকে মহাসড়কে যানবাহন নিয়ে হঠাৎ চলে আসে কমবয়সী তরুনরা। সচেতন মহল জানান, বিভিন্ন সড়ক-উপসড়কে টমটম ও অটোরিকশা চালানোর ন্যূনতম জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেওবেপরোয়া এসব গাড়ী চালানো রোধ করা অতীব জরুরী। তদন্ত পূর্বক অদক্ষ চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবী। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক, অদক্ষ ও অনভিজ্ঞ চালকদের লাইসেন্স প্রদান থেকে বিরত রাখারও আহবান জানান। ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী জানান, ১৮ বছরের নিচে কোনপ্রকার যানবাহন চালক ও ঐসব চালকের গাড়ী লাইসেন্স পাবেন না। ঈদগাঁও ইউপিতে লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়।জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান কামাল হোসেন জানান, জালালাবাদে লাইসেন্স প্রদান শুরু হয়নি। তবে অভিজ্ঞ ও প্রাপ্তবয়স্ক চালকদের মাঝে লাইসেন্স প্রদান করা হবে।
